এই তারিখে
গোল্ডেন রেকর্ড
বার্তা
ভয়েজার
মহাকাশ
মানব সভ্যতা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
১৮ জুলাই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। পুলিশের টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট এবং সাউন্ড গ্রেনেডের মুখেও তারা আন্দোলন চালিয়ে যা। একপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ক্ষমা চেয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে বাধ্য হয়, যা দেশব্যাপী আন্দোলনকারীদের মনোবল বাড়িয়ে দে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রজমোহন কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি ছিলন তারা রাজনৈতিক বিভাজন উপেক্ষা করে একত্রিত হন এবং আন্দোলনকে সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করন।
আন্দোলন দমন করতে পুলিশ ও সরকার-সমর্থিত বাহিনী বিভিন্নভাবে হামলা চাা। তবে আন্দোলনকারীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং বরিশালে কোনো নিহতের ঘটনা না ঘটলেও অনেকেই আহত হন।
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বরিশালে বিজয় উল্লাস শুর য়। বিক্ষুব্ধ জনতা বিভিন্ন সরকারি ভবন ও আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসভবনে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরকে। এই ঘটনাগুলো বরিশালের রাজনৈতিক প্রভাব ও জনগণের অসন্তোষের প্রতিফলনছিল।
জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত শ্রমজীবীসহ সকল হত্যার বিচার দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ অনুষ্ঠতহয়। সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট ও অন্যান্য সংগঠন এই বিক্ষোভে অংশগ্রহ করে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক মন্তব্য করেন যে, সাবেক সরকার আন্দোলন দমন করতে নৃশংসতা চালয়ছিল। তিনি বলেন, এই নৃশংস প্রতিক্রিয়া ছিল সাবেক সরকারের একটি পরিকল্পিত এবং সমন্বি কৌশল।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বরিশাল উপেক্ষা: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রশাসনিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেয় তবে বরিশাল, যা অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল, সেখানে দৃশ্যমান উন্নয়ন বা প্রশাসনিক পরিবর্তন তেমন লক্ষ্য করা যাচ্ছে না বরং, বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বরিশালে বদলি করা হয়েছে, যা স্থানীয় জনগণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে
অন্তর্বর্তী সরকার প্রশাসনিক শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কিছু পরিবর্তন এনেছ। তবে, বরিশালে বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বদলি করা হয়েছে, যা প্রশ্নবিদ্। এই ধরনের বদলি বরিশালের জনগণের প্রতি অবহেলার প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছ।
বরিশালে অভ্যুত্থানের পর থেকে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন কার্যক্রম বা প্রশাসনিক সংস্কার দেখা যায়ি স্থানীয় জনগণ আশা করেছিল যে, অন্তর্বর্তী সরকার বরিশালের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেে তবে বাস্তবে তা হয়নি, যা জনগণের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেে।
সম্ভাবনাময় বরিশাল: বাংলাদেশের উন্নয়নের নতুন মডেল
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত বরিশাল অঞ্চল, যার মধ্যে বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও বরগুনা জেলা অন্তর্ভুক্ত, একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এই অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান, প্রাকৃতিক সম্পদ ও মানবসম্পদের সমন্বয়ে একটি উন্নয়নের মডেল গড়ে তোলা সম্ভব, যা বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে
বরিশাল অঞ্চল নদী ও সমুদ্রবেষ্টিত, যা মৎস্যসম্পদ, কৃষি ও জলপথ পরিবহনের জন্য উপযুক্। কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত বরিশাল শহর জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকলেও, সঠিক পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে এই ঝুঁকি মোকাবিলা করা সম্ভ।
বরিশাল শহরের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন-সহনশীল নগর উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েে এই প্রকল্পের মাধ্যমে শহরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সড়ক উন্নয়ন করা হচ্ে।
বরিশাল বন্দর উন্নয়নের জন্য শারীরিক মডেলিং ব্যবহার করে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়ছ। এই উন্নয়নের মাধ্যমে নৌপরিবহন ব্যবস্থা আরও কার্যকর ও নিরাপদ হবে, যা দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাবে।
বরিশাল অঞ্চলের উর্বর মাটি ও প্রচুর জলসম্পদ কৃষি উৎপাদনের জন্য উপযকত। এই অঞ্চলে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়কহবে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী স্নাতক ডিগ্রি অর্নকরে। এই মানবসম্পদকে দক্ষ করে গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন খাতে তাদের অবদান নিশ্চিত করাসম্ভব।
বরিশাল অঞ্চলের উন্নয়নের াধ্যম:
নৌপরিবহন ও বাণিজ্য বৃদ্ি পবে।
কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্িত বে।
মানবসম্পদের দক্ষতা বৃদ্ি পবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা করা সমভব হবে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thank you for your presence.