এই তারিখে
গোল্ডেন রেকর্ড
বার্তা
ভয়েজার
মহাকাশ
মানব সভ্যতা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
দেশরত্ন শেখ হাসিনার একমাত্র সফল ছামাদিক উৎবাগ Sorry সামাজিক উদ্যোগ "বেশ্যা সহায়তা কর্মসূচি" ওহ! "মহিলা সহায়তা কর্মসূচি।" অলিখিত ভাবে এটি "বেশ্যা বিদ্যালয়" নামেও সুপরিচিত।
বিগত দুই দশকে এখান থেকে সার্টিফিকেট নিয়েছে মিতু কিংবা রেখার মতো হাজার হাজার উন্নত প্রজাতির বেশ্যা। বিশেষ করে "বরিশাল বেশ্যা সহায়তা কর্মসূচি" সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে এই ছামাদিক উৎবাগ টি sorry সামাজিক উদ্যোগটি গ্রহন করেছে। তারা নিজেরা টেস্ট না করে একজন গনিকা ও বাজারে ছাড়ে না। এ ব্যপারে আমি মোটামুটি নিশ্চিত। তাদের প্রশিক্ষিত এই সম্মানিত দেহপশারিনী গন বর্তমানে দেশে ও বিদেশে মনোরঞ্জন করে রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করছে। মাঝে মাঝে রেমিটেন্সের সাথে রেমিটেন্স যোদ্ধাদেরও নিয়ে আসছে। সেই সাথে দেশের নাম তো উজ্জ্বল করতেছেই।
আবার দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা গুলোতে শিক্ষিকা পদে এদের নিয়োগ দেয়া হচ্ছে হরহামেশাই। কোমলমতি শিশুদের এখন ই সঠিক সময় সঠিক শিক্ষা গ্রহনের। উদাহরণ স্বরুপ, মিতু এখন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় একটি c মাদ্রাসায় শিক্ষকতার দায়িত্ব পালন করছেন। তাকে প্রায়ই দেখা যায় বরিশাল লেডিস পার্ক ও তার আশেপাশের ঘুপচি তে বসে একেক সময় একেক ভদ্রলোককে মাদ্রাসার এলেম শিক্ষা দিতে। আমরা আশা করি খুব শিগগিরই ঐ মাদ্রাসার ছাত্রীরা ও এই ছামাদিক উৎবাগে আহ! সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ করবে। বেশ্যা বিদ্যালয়ের চেয়ারে বসা স্মার্ট ভদ্দরলোক গন আপনার শিশুর ভবিষ্যৎ চিন্তা করেই গোঁফে তা দিচ্ছে। বেশ্যা বিদ্যালয়ের চেয়ারে বসা স্মার্ট ভদ্দরলোক গন আপনার শিশুর ভবিষ্যৎ চিন্তা করেই গোঁফে তা দিচ্ছে।
শুধু তাই না। এ দেশে নিয়োজিত পীযূষ কিংবা মাইন্দারের (মানবেন্দ্র) মত ভারতীয় দালালদের (যারা বউয়ের কাছে যেতে পারে না কারণ তারাও বহুগামী) একমাত্র ভরসা এই বেশ্যা বিদ্যালয় থেকে পাশ করা ছাত্রীরা। এরা ১০০% নিরাপদ। এদের কোন উৎবাগ কেউ ভিডিও করলে বা প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করলে, তাকে পরিবার সহ যত্ন সহকারে বেশ্যা বিদ্যালয়ে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এবং হয়রানি তো করেই না। ঘুষ ও খায় না। মোটেও না।
কিন্তু ডঃ ইউনুস ক্ষমতা গ্রহনের পর "বেশ্যা সহায়তা কর্মসূচি" নামের 'ছামাদিক উৎবাগ' অনেকটাই থমকে গেছে। এতে করে আওয়ামী সরকারের একমাত্র সফল 'ছামাদিক উৎবাগ' থুক্কু সামাজিক উদ্যোগ এখন ধ্বংসের মুখে।
মনে রাখবেন, বেশ্যা আমাদের জাতীয় সম্পদ। অতএব, বেশ্যা বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে আমরা বদ্ধপরিকর।। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি বাংলাদেশের প্রতিটি বেশ্যা বিদ্যালয় থেকে গত ২ দশকের সকল গনিকাদের ফাইল সংগ্রহ করা হোক।
ছামাদিক উৎবাগ এ অংশগ্রহণকারী সকল গণিকা গনের নাম, ঠিকানা সংগ্রহ পূর্বক তাদেরকে সরকারিভাবে সহায়তা করা হোক। এবং সরকারি ওয়েবসাইটে তাদের হালকা উত্তেজিত পোশাকের ছবি সহ নাম, ঠিকানা প্রচার করা হোক।
অতএব , "বেশ্যা সহায়তা কর্মসূচি" র উন্নয়নে ভবিষ্যতে যদি সরকারের মনোযোগ না পাওয়া যায় তবে... জাতি নির্বাচন চায়।।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thank you for your presence.