এই তারিখে
গোল্ডেন রেকর্ড
বার্তা
ভয়েজার
মহাকাশ
মানব সভ্যতা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
![]() |
| অপেক্ষার শেষ প্রহর |
সায়রা: একজন শিক্ষিকা, যিনি তার জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে ভালোবাসা ও প্রত্যাশার মাঝে দোদুল্যমান।
রায়হান: সায়রার কলেজ জীবনের বন্ধু, যার সাথে সায়রার সম্পর্ক ছিল গভীর, কিন্তু কখনো প্রকাশ পায়নি।
সায়রা প্রতিদিন সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে প্রস্তুত করতেন। কিন্তু আজকের সকালটা ছিল ভিন্ন। আজ তার কলেজের পুনর্মিলনী। দীর্ঘ ১৫ বছর পর তিনি তার পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করবেন। তবে তার মনটা ব্যাকুল ছিল শুধুমাত্র একজনের জন্য—রায়হান।
কলেজ জীবনে সায়রা ও রায়হান ছিল অবিচ্ছেদ্য। তাদের বন্ধুত্ব ছিল সবার আলোচনার বিষয়। কিন্তু কখনো কেউ কারো প্রতি অনুভূতি প্রকাশ করেনি। কলেজ শেষ হওয়ার পর রায়হান বিদেশে চলে যায়, আর সায়রা ঢাকায় থেকে যায়। তাদের যোগাযোগ ধীরে ধীরে কমে যায়।
পুনর্মিলনীর দিন সায়রা স্কুল থেকে ফিরে দ্রুত প্রস্তুতি নেয়। সে জানে না রায়হান আসবে কিনা, কিন্তু তার মন বলে—আজ তাদের দেখা হবে।
অনুষ্ঠানে পৌঁছে সায়রা তার পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করে। হাসি, গল্প, স্মৃতিচারণে সময় কেটে যায়। হঠাৎ, পেছন থেকে একটি পরিচিত কণ্ঠস্বর—"সায়রা!"
সে ফিরে তাকিয়ে দেখে রায়হান দাঁড়িয়ে আছে, হাসিমুখে। তাদের চোখে চোখ পড়ে, এবং সেই মুহূর্তে সব অতীতের স্মৃতি যেন ফিরে আসে।
রায়হান বলে, "আমি জানি, অনেক দেরি হয়ে গেছে, কিন্তু আমি সবসময় তোমার কথা ভেবেছি।"
সায়রা চোখে অশ্রু নিয়ে বলে, "আমি আজও অপেক্ষা করছিলাম।"
তাদের মাঝে একটি নীরবতা, কিন্তু সেই নীরবতায় ছিল হাজারো কথা।
জীবনে অনেক কিছুই আমরা সময়মতো বলতে পারি না, কিন্তু ভালোবাসা কখনো মরে না। সায়রা ও রায়হানের গল্প আমাদের শেখায়—প্রত্যাশা ও ভালোবাসা কখনো বৃথা যায় না।
ভালো চিন্তাভাবনা
উত্তরমুছুন