এই তারিখে
গোল্ডেন রেকর্ড
বার্তা
ভয়েজার
মহাকাশ
মানব সভ্যতা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
যে খ্রিস্টান ইহুদিরা মুসলিমদের এত অপছন্দ করে তারা মুসলিম রোহিঙ্গাদের কেন খাবার দেয়? অর্থ দেয়? বাজেট দেয়? এনজিও দেয়? একবার জিজ্ঞেস করেছেন? কেন তারা দিচ্ছে?
যে মুসলিমদেরকে এত অপছন্দ করে, সেই মুসলিম রোহিঙ্গাদের আমরা বাংলাদেশের নাগরিকরা জায়গা দিতে চাচ্ছি না। সেখানে কেন ইহুদি খ্রিস্টানরা তাদেরকে অর্থায়ন করছে? ভালো করে শোনেন আজকে, এই দক্ষিণ এশিয়ায় ইহুদিরা খ্রিস্টানরা তাদের প্রতিনিধিত্ব চায়। তাদের একটা জায়গা চাই। একটা খ্রিস্টান রাষ্ট্র চায়। একটা ইহুদি স্টেট চাই। তাদের মত করে একটা জায়গা চাই। এই জায়গাটা হল রাখাইন।
এই রাখাইনে যে রোহিঙ্গা মুসলিমরা রয়েছে তাদেরকে এখান থেকে বের করে মুসলিম শূন্য করতে পারলে তাদের সেই স্বপ্নের রাষ্ট্র তারা পেয়ে যায়। শুরু কিন্তু করেছিল বুদ্ধদের দিয়ে মুসলিমদের নিধনের মধ্য দিয়ে। সেই মনে আছে? যে গেরুয়া বুদ্ধ কাপড় পড়ে তারা মুসলিমদেরকে কচুকাটা করছিল। তারা সেদিন না বুঝে না বুঝে মুসলিমদের বিতাড়িত করেছিল। আপনাদের মনে আছে জানতা সরকার কি বিভচ্চ আচরণ করেছিল? ঘটনা উল্টে গেছে। সেই জানতা সরকার এখন জায়গা দিতে চাই। ঘটনা বুঝতে পেরে। আর খ্রিস্টানরা ইহুদিরা ইউরোপের আমেরিকার যারা আছে তারা চাই মুসলিমরা এখান থেকে বের হয়ে যাক।
একটা গোয়াল ঘর, একটা খামার । এখানে কিছু গরু আছে। আপনি যাইয়ে ওইখানের দরজা না খুলে গরুগুলোকে যদি মারতে থাকেন বা ছাগলগুলোকে যদি মারতে থাকেন ওই গরু বা ছাগলগুলো ওখান থেকে বের হবে কখনো? বের হবে না। উল্টো আপনাকে ঢিস দিয়ে আপনাকে মারার চেষ্টা করবে। রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ক্ষেত্রে একই হয়েছে। ওইখানে যদি বাংলাদেশ একটা দরজা না খুলে দিত, স্পেস না দিত, রোহিঙ্গারা ওখানেই টিকে থাকতো, ওখানেই লড়াই করতো, তাদের নিজের জমির মালিকানা নিজেরাই রাখতে পারতো। এইখানে কৌশলে বাংলাদেশকে রাজি করিয়ে এখানে রোহিঙ্গা ঢুকানো হয়েছে। শেখ হাসিনাকে রাজি করেছে। বর্তমান ইউনুস সরকারকে রাজি করেছে।
রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে কি ব্যবস্থা নিতে হবে? শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেখিয়ে দিয়েছিলেন। 1977 সালে সম্ভবত উনি বলেছিলেন সাত দিনের মধ্যে রোহিঙ্গা ফেরত নিতে হবে। না হলে আমরা কিভাবে রোহিঙ্গাদের ওইখানে পুনর্বাসন করব এটা আমরা জানি। সাত দিনের মধ্যে সকল প্রস্তুতি নিয়েছেন। যুদ্ধযুদ্ধভাব এর মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়া শুরু করেছিল মায়ানমার। আজকে মায়ানমারের সরকার কেন বলছে রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে চাই? আর কেন রাখাইন থেকে রোহিঙ্গারা উল্টা বের হয়ে আসছে? কেন ঋমানবিক করিডরের নামে নাটক করছে? ডক্টর ইউনুস ইউরোপ আমেরিকার দালালি করে রোহিঙ্গাদের যে অনুপ্রবেশ করার সুযোগ দিলেন এইটা শুধুমাত্র খ্রিস্টান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ইউরোপ আমেরিকা তাদেরকে সহযোগিতা করা হচ্ছে। এই সহজ ব্যাকরণটি যে বুঝছে না তাদেরকে আমরা বোঝাতে পারবো না। এটা কোন মানবিক করিডর না। এটা রাখাইনকে মুসলিম শূন্য করার একটা করিডর। এই সহজ কথাটি বাংলাদেশের নাগরিকদের বুঝতে হবে। আমাদেরকে অনেকে অপছন্দ করতে পারেন। রাজনৈতিকভাবে দ্বিমত থাকতে পারে। কিন্তু আমাদের এই সত্যগুলো যত দ্রুত অনুধাবন করবেন তত ভালো হবে। আমরা কি বলেছিলাম? আমরা বলেছিলাম রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদেরকে আলাদা করে রাখেন। রোহিঙ্গা পুরুষদেরকে অস্ত্র দেন, প্রশিক্ষণ দেন। নারী এবং শিশুরা থাকবে জিম্মি হয়ে। পুরুষরা যাবে তাদের ভূমি উদ্ধারে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিজিবি তাদেরকে সহযোগিতা করবে, প্রশিক্ষণ দেবে এবং সেই প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে নিজ ভূমি উদ্ধার করবে। কখনো এই পলিসি বাস্তবায়ন করতেছেন? শক্ত হওয়া ছাড়া সম্ভব না। আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের জমি উজার হয়েছে, বোন উজার হয়েছে, বনভূমি শূন্য হয়েছে। সব ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রাকৃতিক ভারসম্য হারিয়ে ফেলেছে।
আজকে সেন্ট মার্টিন নিয়ে নতুন নতুন তথ্য দিচ্ছে। রেওজোয়ানা ম্যাডামকে বলব নাটক বন্ধ করেন। আপনারা কাদের এডভোকেসি করছেন কি কি উদ্দেশ্য আছে এগুলো বোঝা বাকি নাই। সেন্ট মার্টিনকে বা কোন অঞ্চলকে আপনার রক্ষা করতে হবে না। প্রকৃতি তার নিজ নিয়মে নিজেকে রক্ষা করবে। ওইখানে কুকুরকে বিরিয়ানি খাওয়াতে হচ্ছে রান্না করে করে। এখন আপনার এটা খাওয়াতে হবে না। ওখানে পর্যটকরা যাবে। বাংলাদেশের নাগরিকরা অবস্থান করবে। তারা প্রকৃতির বিষয়টা বুঝবে। আপনাকে কৃতিমভাবে কুত্তাকে বিরিয়ানি খাওয়ার প্রজেক্ট নিতে হবে না সেন্ট মার্টিনে। এ সকল নাটক বন্ধ করে ইউনুস সরকারকে আমরা সতর্ক করছি। এই মানবিক করিডর নামে যে করিডর দিয়ে 1 লক্ষ 13 হাজার রোহিঙ্গা ঢুকিয়েছেন চটকদার প্রতারণামূলক কথা বলেছিলেন 1 লক্ষ 80 হাজার রোহিঙ্গা ফেরত পাঠাবেন অথচ আপনারা জাতিসংঘের মহাসচিব আসলে নিজেরাই চুক্তি করে বসেছিলেন এই প্রতারণাগুলো কেন করছেন কেন করছেন আপনাদেরকে উত্তর দিতে হবে খ্রিস্টান ইহুদী-নাসারারা কেন রোহিঙ্গাদেরকে এখানে ভাত খাওয়ায় কেন ওষুধ দেয় কেন এনজিওর মাধ্যমে অর্থায়ন করে এর কারণ বাংলাদেশের নাগরিকদের খুঁজে বের করে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে রোহিঙ্গাদের তার নিজ জমি রাখাইনে ফেরত পাঠাতে হবে এটাই রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ এটা না হলে আমরা আরেকটা গাধা দেখব আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব হারানোর পথে এই সকল ষড়যন্ত্রে আমরা সাবধান করছি এই করিডর বন্ধ করবেন 1 লক্ষ 13 হাজার এটা আপনারা ঢুকাইছেন এর দায় আপনাদেরকে নিবে যেই যেই কর্মকর্তারা এই ঢুকানো সঙ্গে অনুমতি দিয়েছে অনুমোদন দিয়েছে তাদেরকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thank you for your presence.